ক্যাটাগরি আর্কাইভ

রাজনীতি

রাজনৈতিকভাবে সচেতন হোন, জয় অনিবার্য

IMG_20180225_183208

সুজিত সরকার।।

কোটা সংস্কারের আন্দোলন শুরু থেকেই সুস্পষ্টভাবে রাজনীতি থেকে পার্থক্য টেনে চলা একটি আন্দোলন। এর ধারাবাহিকতায় দমন-পীড়নের মুখে পড়লেও রাজনীতি থেকে এই  আন্দোলন ও নেতাকর্মীরা সচেতনভাবে দূরত্ব বজায় রেখে চলেছেন। স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন, আগস্টের সেনাবিরোধী আন্দোলনসহ অতীত অভিজ্ঞতা বলে, রাজনীতি দ্বারা চালিত আন্দোলন বাধার মুখে পোড় খায়, কর্মসূচী হয় উচ্চ থেকে উচ্চতর। এর বিপরীতে, রাজনীতি-বিমুখ কোটা সংস্কারের আন্দোলন বাধা, দমন-পীড়নের মুখে পড়ে পণ্ড হওয়ার পথে।

পুরো লেখা পড়ুন

বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির দিশারী মহান বিপ্লবী সিরাজ সিকদার

%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a1-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%ac%e0%a7%87

শান্তনু সুমন||

“তোমরা কি দেখেছো পেয়ারাবাগান?

শুনেছো ভিমরুলি, ডুমুরিয়া-

আটঘর-কুড়িয়ানার নাম?”

সিরাজ সিকদার রচিত ‘গণযুদ্ধের পটভূমি’ শীর্ষক কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতার লাইন।

এখনকার তরুণদের বিপুল অধিকাংশই পেয়ারাবাগানের মহান সংগ্রাম সম্পর্কে জানেন না। অথচ, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পেয়ারাবাগান জনযুদ্ধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছিল। রূপকথার মতো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সমগ্র বাংলাদেশ ও ভারতে।

এই পেয়ারাবাগানের ইতিহাস জানতে হলে আমাদের ফিরে তাকাতে হবে ১৯৭১ সালে সংগঠিত জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের দিকে। জাতীয় মুক্তির সে যুদ্ধ পূর্ববাংলা তথা বাংলাদেশের জনপদের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল আখ্যানের জন্ম দিয়েছিল। শত শত বছরের শোষণ নিপীড়নের জিঞ্জির ভাঙ্গতে এই জনপদের মানুষ বার বার বিদ্রোহ করেছেন। লড়াই করেছেন। ব্রিটিশ ওপনিবেশিক দস্যুদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে দীর্ঘ দুশো বছর সংগ্রাম করেছেন। কানু-সিধু, সূর্যসেন-প্রীতিলতারা জীবন দিয়ে সে সংগ্রামকে বেগবান করেছিলেন। কিন্তু ’৪৭-এ সেই আত্মত্যাগ ও সংগ্রাম বৃথা গেল। পাকিস্তানি আমলাতান্ত্রিক পুঁজিপতি ও সামন্তবাদী শাসক শ্রেণি ক্ষমতা দখল করল। পূর্ববাংলায় শোষণ-নিপীড়ন নতুন রূপে হাজির হলো। ’৪৮ থেকে ’৭১; ২৩ বছর ধরে চলমান পাকিস্তানি বাইশ পরিবারের জুলুম-নির্যাতন আর দুঃশাসনের বিরুদ্ধে পূর্ববাংলার বীর জনগণ আবার সংগ্রামের জাল বুনলেন। ’৭১-এ রচনা করলেন ইতিহাসের এক অনন্য প্রতিরোধ যুদ্ধ। পাকিস্তানি ওপনিবেশিক শাসন-শোষণ থেকে পূর্ববাংলাকে মুক্ত করতে কাতারে-কাতারে জীবন দিলেন মুক্তি পাগল জনগণের সন্তানেরা। পাকবাহিনীর হাতে প্রাণ হারালেন লাখ লাখ মানুষ। ধর্ষিত হলেন আমাদের অগনিত মা-বোন। এ আখ্যানের নাম জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ। পুরো লেখা পড়ুন

নারী বা পুরুষ নয়, মানুষ হবো কবে?

নারী বা পুরুষ নয়, মানুষ হবো কবে

শারমিন রহমান।।

আমি পুরুষদের ঘৃণা করি। কি, কথাটা শুনে আঁতকে উঠলেন? যে সমাজব্যবস্থায় পরিবারের আপন মানুষদের (পুরুষ) হাতেই রচিত হয় প্রতিটি মেয়ের যৌন নিপীড়নের ইতিহাসের প্রথম ইট,তখন তাদের জন্য ঘৃণা ছাড়া আর কোনও অনুভূতি কি জাগ্রত হতে পারে? রাস্তাঘাটে, ঘরে, বাইরে, সহকর্মী বা সহযোদ্ধা কিংবা আত্মীয় অথবা যেকোন পুরুষই তো প্রতিনিয়ত বাধ্য করে এই ঘৃণাকে উসকে দিতে।সমাজের চোখে নারী ও শিশুরা হলো খেলার পুতুল। তাদের বিশ্বাস যতো সহজে অর্জন করা যায়; তার চেয়েও সহজে তাদেরকে নিপীড়ন করা যায়। কেন? সমাজ শেখায় নিপীড়নের জন্য নারীদের কোন না কোন আচরনই দায়ী, তাই সব কিছু চুপচাপ মেনে নিতে হবে, তা না হলে যাবে সমাজের চোখে তার তথাকথিত “মানসম্মান”। পুরো লেখা পড়ুন

সুন্দরবন রক্ষায় জাতীয় কমিটির আন্দোলন নিয়ে কিছু প্রশ্ন

মোদিকে চিঠি দেওয়ার কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

আহনাফ আতিফ অনিক।।

সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত দেশগুলোর জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠন করা সাম্রাজ্যবাদের একটি সাধারণ কর্মসূচী। বাংলাদেশ সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত একটি দেশ। সুতরাং এখানে জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনের পাঁয়তারা সর্বদা বিরাজমান। সাম্রাজ্যবাদ এখানে তার নতুন নতুন উন্নয়নের মডেলের মাধ্যমে জনগণকে ধোঁকা দিয়ে জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠন করতে চায়। আর তার সমস্ত কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে এ দেশের দালাল সরকার। যার উদাহরণ আমরা পাই যখন দেশের অর্থমন্ত্রী সুন্দরবনে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে জেনেও বলেন, আমরা জানি সুন্দরবনের ক্ষতি হবে কিন্তু সেখান থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র সরানো সম্ভব না। পুরো লেখা পড়ুন

দূর্গা নয়, মহিষাসুর থেকে শিক্ষা নিন

durga

সুজিত সরকার।।

বিষ্ণু, শিব ও ব্রহ্মার মুখমণ্ডল হতে মহাতেজ পুঞ্জিভূত হয়ে মহিষাসুরমার্দিনী দূর্গার আবির্ভাব ঘটে আশ্বিন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশী তিথিতে। সনাতন ধর্মের এই তিন মহাদেবতা শুকা সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী তিথিতে এই দূর্গা দেবিকে পূজা করেন এবং দশমীতে দেবি মহিষাসুর বধ করেন। সেই থেকেই মহিষাসুরমার্দিনী দূর্গা শক্তির দেবতা। বিজয়ীদের ইতিহসে এভাবেই দূর্গা মহিমান্বিত, আর পরাজিত হয়ে মহিষাসুর ইতিহাসের অন্যতম ঘৃণ্য খলনায়ক। পুরো লেখা পড়ুন

৩০ বছর আগের প্রযুক্তিতে রামপাল প্রকল্প

৩০ বছর আগের প্রযুক্তিতে রামপাল প্রকল্প

বণিক বার্তা।।

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দ্বিতীয় শ্রেণীর সেকেলে প্রযুক্তি দিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে। মুখে আধুনিক প্রযুক্তির কথা বললেও এতে ৩০ বছর আগের বা পুরনো প্রযুক্তি ব্যবহার হবে, যা ভূমিকম্প ও বন্যা-জলোচ্ছ্বাসের হুমকি মোকাবেলায় সক্ষম নয়।

পুরো লেখা পড়ুন

সুন্দরবনের রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র: যে কথাগুলো কেউ বলছে না

তরুণদের আয়োজনে সাইকেল মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা ও পুলিশের জলকামান

সুজিত সরকার।।

নরেন্দ্র মোদি যখন ঢাকা সফরে ভারতের ব্যবহারের জন্য মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরগুলো নিশ্চিত করে গিয়েছিলেন তখন শীর্ষ ভারতীয় পত্রিকা দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া শিরোনাম করেছিল  “Now India gets to tug at China’s string of pearls” (চীনের স্ট্রিং অব পার্লস-এ ভারতের আধিপত্য বিস্তার)। ভারতীয় পত্রিকাটির শিরোনামটাই বুঝিয়ে দেয় যে, বঙ্গোপসাগর এলাকায় ভারতের আধিপত্য বিস্তার কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এর ওপর আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণ কতটা নির্ভরশীল। মংলা বন্দর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে সুন্দরবনে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প এই সমীকরণেরই একটি অংশ। পুরো লেখা পড়ুন

রামপাল প্রকল্প: ১০টি প্রশ্ন ও বিভ্রান্তিকর উত্তর

cms.somewhereinblog.net

কল্লোল মোস্তফা।।

রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে আরশাদ মনসুরের তোলা ১০টি প্রশ্নের যে উত্তর প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান পাঠিয়েছে, তা ৬ আগস্ট প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে। প্রশ্ন-উত্তর পর্বে আলোচিত এই প্রযুক্তিগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হবে কি না, কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হলেই সুন্দরবনের ওপর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পূর্ণ দূর হবে কি না, কিংবা এই প্রযুক্তিগুলোর কোনো সীমাবদ্ধতা বা ক্ষতিকর প্রভাব আছে কি না—এসব বিষয়ে কিছু কথা বলা জরুরি মনে করছি। পুরো লেখা পড়ুন

মে দিবসের ইতিকথা

labour_2391847f

‘তারাই মানুষ, তারাই দেবতা, গাহি তাহাদেরি গান, তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান’!

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুলিমজুর’ কবিতার এই অসামান্য লাইন দুটো জানান দেয় শ্রমিকের সম্মান, প্রকৃত মর্যাদা। আজ মহান মে দিবস। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে এ দিনটি পালিত হয়, যার পরিচয় ‘মে দিবস’ হিসেবে। ১৮৮৬ সালের মে মাসে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের এক ঐতিহাসিক আন্দোলন ও সংগ্রামের পুণ্যস্মৃতির সম্মানে এই দিনটি পালিত হয়।

পুরো লেখা পড়ুন

হার না মানা ছাত্রদের প্রতিরোধের হরতাল আজ: নিপীড়িত নারীর আরেকবার রুখে দাঁড়াবার দিন

হার না মানা ছাত্রদের প্রতিরোধের হরতাল সোমবার: নিপীড়িত নারীর আরেকবার রুখে দাঁড়াবার দিন: ছবি ফোকাস বাংলার সৌজন্যে

দ্বন্দ্ব ডেস্ক।।

বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ও ছাত্রনেতা সামিউল আলম রিচি তার ফেসবুকে লিখেছেন, “..একটা হরতালে হবেটা কি? বিচার হবে তনু হত্যার? ভাঙ্গবে কি বিচারহীনতার কারাগার? … বুঝতে এবং অনুধাবন করতে শুনুন ২ জোটের নেতৃবৃন্দের প্রচারকালীন অভিজ্ঞতার কথা।…ছাত্র নেতাদের কাছে ফোনে, কি প্রকাশ্যে। প্রতিদিনকার যাপিত জীবনের কদর্য নিপীড়ন আর অপমানের বর্ননা দিচ্ছেন মায়েরা-মেয়েরা… চুপ থেকে মেনে নেয়ার এই গুমোট অসহায়ত্ব থেকে তাঁরা বেরুতে চান! …তাঁরা কথা বলতে চান, প্রকাশ্যে চিৎকার করে প্রতিবাদ করতে চান তাঁরা।… ১০৯২ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন শুধু ২০১৫ সালে … এটি শুধু পত্রিকার রিপোর্ট … রিপোর্টের বাইরে আছে অসংখ্য নারী আর শিশুর অপমান আর নির্যাতনের গাঁথা… এই অপমানের বিপরীতে দাঁড়িয়ে সীমিত শক্তি নিয়ে প্রতিরোধের গল্প শোনাচ্ছেন ছাত্রনেতারা প্রতিদিন এই নোংরা, অসভ্য শহরের রাস্তায়… অলিতে গলীতে! … আপনিও গলা মেলান তাঁদের সাথে !…এই শহর আমাদের, এই জনপদের মালিক জনগণ! জনগণের এই শহর জনগণের এই জনপদ এবং জনগণের এই জীবনকে জনগণের দখলে নিয়ে আসুন আবার! … হরতালের প্রচারণায় নেমে আসুন নিজ নিজ অবস্থান থেকে … ২৫ হোক নিপীড়িত নারীর আরেকবার রুখে দাঁড়ানোর দিন!  পুরো লেখা পড়ুন

শাসন যখন দুঃশাসনে রূপ নেয়, মানুষ প্রতিরোধ করবেই

12968047_1067816226613167_4939596223203834430_o

জাকারিয়া অনিমেষ।।

৫২, ৬৯, ৭১ বা ৯০ কোনওটাই দেখার সুযোগ হয়নি। যতটুকু জেনেছি তা ইতিহাসে বা সাহিত্যে। জেনে-শুনে বুঝেছি, সেই প্রতিরোধ ছিল শাসকের বিরুদ্ধে। নিজের দেশের শাসকের বিরুদ্ধে। শাসক যখন শোষক হয়ে ওঠে, তার প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করাটা জনতার অবশ্য কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশ দুইশ বছর ইংরেজ শাসকদের দ্বারা শাসিত হয়েছে। ওই সময়ে ইংরেজদের হয়ে এখানকার স্থানীয় শাসন পরিচালনা করেছে এই উপমাহদেশেরই একটি সুবিধভোগী শ্রেণি। এই একই সুবিধাভোগী শ্রেণি পাকিস্তান আমলেও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্বার্থকে পায়ে দলে নিজেদের পকেট ভারি করেছে। এরাই মুক্তিযুদ্ধে এখানকার মানুষের বিপক্ষে অস্ত্র ধরেছে। অতএব, সব সময়েই দেখা গেছে ক্ষমতাকাঠামোর কাছাকাছি অবস্থান করা একটি শ্রেণি সবসময়েই জনগণের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে নিজেদের গোষ্ঠী ও  ব্যাক্তি স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত ছিল। আর  রাষ্ট্রকাঠামো সবসময়েই এদের রক্ষা করতে তৎপর ছিল। পুরো লেখা পড়ুন

গো টু টপ