বিষয়ভিত্তিক আর্কাইভ

মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন

গার্মেন্টস শ্রমিকের খাঁটুনি বেড়েছে দ্বিগুণ, মজুরি কমেছে প্রায় ৬০০ টাকা

গার্মেন্ট শ্রমিকের খাঁটুনি বেড়েছে দ্বিগুণ, মজুরি কমেছে প্রায় ৬০০ টাকা: ছবি ঢাকা ট্রিবিউন

সুজিত সরকার।।

১৯৯২ সালে বাংলাদেশের ১,৫৩৭টি গার্মেন্টস কারখানার ৮ লাখ শ্রমিকের নূন্যতম মজুরি ছিল ১,৬৬২ টাকা। ২৩ বছর পর, আনুপাতিক হারে কারখানার সংখ্যা বেড়েছে প্রায় তিন গুণ, শ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে পাঁচ গুণ এবং পরিশ্রমের মাত্রা বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। কিন্তু নিম্নতম মজুরি, ধারাবাহিক মূল্যস্ফীতি ও জীবনমানের উন্নতি বিবেচনায়, কমেছে শ্রমিক প্রতি অন্তত ৬০০ টাকা। পুরো লেখা পড়ুন

ন্যায্য মজুরির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

ন্যায্য মজুরির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

নিউজবাংলাদেশ.কম।।

জীবন যাপন উপযোগী মজুরি ও তৈরী পোশাকের ন্যায্য মূল্যের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জার্মান ট্রেড ইউনিয়নের ১২ সদস্যের একটি  প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে জার্মান শ্রমিক সংগঠনের পক্ষে স্টেফানি ক্যাথরিন বাংলাদেশের শ্রমিকদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, “বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের মজুরি অত্যান্ত কম। এই অল্প মজুরিতে শ্রমিকদের পক্ষে জীবন যাপন করা সম্ভব নয়।”

জীবন ধারনের উপযোগী মজুরি বৃদ্ধির জন্য তৈরি পোশাকের মূল্যও বাড়ানো দরকার বলে মত প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমরা জার্মানির রিটেইলার কোম্পানিগুলোকে এ ব্যাপারে অবশ্যই চাপ প্রয়োগ করবো। বাংলাদেশের শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের যে সংগ্রাম তার সাথে আমরা আছি এবং থাকবো।”

সমাবেশে বক্তারা বলেন, “গার্মেন্টস বাংলাদেশের সবচাইতে বড় শিল্প, যা রপ্তানির ৮০ শতাংশ পূরণ করে। অথচ বিভিন্ন দেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরির তুলনায় বাংলাদেশে এই শিল্পের মজুরি সবচেয়ে কম।”

জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক আমিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাফিয়া পারভিন, ফারুক খান, আরিফা আক্তার, শাহানাজ বেগম প্রমুখ।

পরে একটি মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে শুর হয়ে ফেডারেশন কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

গো টু টপ