বিষয়ভিত্তিক আর্কাইভ

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প

সুন্দরবন রক্ষায় জাতীয় কমিটির আন্দোলন নিয়ে কিছু প্রশ্ন

মোদিকে চিঠি দেওয়ার কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

আহনাফ আতিফ অনিক।।

সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত দেশগুলোর জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠন করা সাম্রাজ্যবাদের একটি সাধারণ কর্মসূচী। বাংলাদেশ সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত একটি দেশ। সুতরাং এখানে জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনের পাঁয়তারা সর্বদা বিরাজমান। সাম্রাজ্যবাদ এখানে তার নতুন নতুন উন্নয়নের মডেলের মাধ্যমে জনগণকে ধোঁকা দিয়ে জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠন করতে চায়। আর তার সমস্ত কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে এ দেশের দালাল সরকার। যার উদাহরণ আমরা পাই যখন দেশের অর্থমন্ত্রী সুন্দরবনে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে জেনেও বলেন, আমরা জানি সুন্দরবনের ক্ষতি হবে কিন্তু সেখান থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র সরানো সম্ভব না। পুরো লেখা পড়ুন

মোদিকে চিঠি দেওয়ার কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

মোদিকে চিঠি দেওয়ার কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

দ্বন্দ্ব রিপোর্ট।।

সুন্দরবন ধ্বংস করে বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাতিলের দাবিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে লেখা খোলা চিঠি পৌঁছে দিতে গিয়ে পুলিশী হামলার মুখে পড়েছে তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। পুলিশের টিয়ারশেলে মিছিলে অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশের এ  হামলার প্রতিবাদে ২০ অক্টোবর ঢাকাসহ সারা ​দেশে বিক্ষোভ করবে কমিটি। পুরো লেখা পড়ুন

৩০ বছর আগের প্রযুক্তিতে রামপাল প্রকল্প

৩০ বছর আগের প্রযুক্তিতে রামপাল প্রকল্প

বণিক বার্তা।।

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দ্বিতীয় শ্রেণীর সেকেলে প্রযুক্তি দিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে। মুখে আধুনিক প্রযুক্তির কথা বললেও এতে ৩০ বছর আগের বা পুরনো প্রযুক্তি ব্যবহার হবে, যা ভূমিকম্প ও বন্যা-জলোচ্ছ্বাসের হুমকি মোকাবেলায় সক্ষম নয়।

পুরো লেখা পড়ুন

সুন্দরবনের রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র: যে কথাগুলো কেউ বলছে না

তরুণদের আয়োজনে সাইকেল মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা ও পুলিশের জলকামান

সুজিত সরকার।।

নরেন্দ্র মোদি যখন ঢাকা সফরে ভারতের ব্যবহারের জন্য মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরগুলো নিশ্চিত করে গিয়েছিলেন তখন শীর্ষ ভারতীয় পত্রিকা দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া শিরোনাম করেছিল  “Now India gets to tug at China’s string of pearls” (চীনের স্ট্রিং অব পার্লস-এ ভারতের আধিপত্য বিস্তার)। ভারতীয় পত্রিকাটির শিরোনামটাই বুঝিয়ে দেয় যে, বঙ্গোপসাগর এলাকায় ভারতের আধিপত্য বিস্তার কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এর ওপর আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণ কতটা নির্ভরশীল। মংলা বন্দর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে সুন্দরবনে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প এই সমীকরণেরই একটি অংশ। পুরো লেখা পড়ুন

সুন্দরবন নিয়ে আব্দুল্লাহ মাহফুজ অভি’র ডকুফিল্ম ‘ডাক দিয়েছে সুন্দরবন’  

দ্বন্দ্ব রিপোর্ট।।

সুন্দরবন রক্ষার দাবিতে মাঠে আন্দোলনের পাশাপাশি চলছে গান কবিতা ছবি আঁকা, শর্টফিল্ম, ডকুমেন্টরি, বিভিন্ন রম্য ও তথ্যভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ। আছে আন্দোলনের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন মত ও  যুক্তি তর্কের লড়াই। এরই ধারাবাহিকতায় এবার নির্মাণ হলো ডকুফিল্ম ‘ডাক দিয়েছে সুন্দরবন’।

সাম্প্রতিক সময়ে ধারণ করা সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলনের বিভিন্ন ফুটেজের ওপর ভিত্তি ভিত্তি করেই ডকুফিল্মটি বানিয়েছেন তরুণ নির্মাতা আবদুল্লাহ মাহফুজ অভি। এই ডকু ফিল্মটির নাম ‘ডাক দিয়েছে সুন্দরবন’।  এটি ইউটিউব চ্যানেলে রিলিজ হয়েছে।

এই ডকুফিল্ম সম্পর্কে আবদুল্লাহ মাহফুজ অভি বলেন, ‘ডাক দিয়েছে সুন্দরবনে’র সব ঘটনা, সব চরিত্রই সত্য। আর এই সত্য ঘটনাকে তুলে ধরেছি। ডকুফিল্মটিতে এই আন্দোলনকে আমি এক তরুণ শিক্ষার্থীর চোখ দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছি। চারিদিকের ‘নয়েজে’র ভেতর থেকে এই তরুণ আলাদা করে নিয়েছে কিছু শব্দকে। নিজের চিন্তা ও বিবেক কাজে লাগিয়ে সে যেসব শব্দকে নিজের ভেতর ধারণ করেছে , সেই শব্দ লক্ষ্য করেই শেষ পর্যন্ত এগিয়ে গেছে এই তরুণ।

অভি আরও বলেন, এই সময়টাকে আমার একটা প্রপাগান্ডার আস্তাকুঁড় মনে হচ্ছে। দিকভ্রান্ত করে দিচ্ছে আমাদের। তবে সঠিক শব্দটি দেরি হলেও যদি পৌঁছে যায় আপনার কাছে, আপনি কিন্তু ঠিকই তাকে আলাদা করে চিনতে পারবেন।

অ্যাক্টিভিস্ট ও নির্মাতা অভি বলেন, দেখুন একটু চিন্তা করলেই সব পরিস্কার হয়ে যাবে। একটি আন্দোলনকে কেন্দ্রে রেখে একের পর নির্মাণ হচ্ছে সৃজনশীল গান, কবিতা, নাটক, ফিল্ম (শর্ট ফিল্ম) ইত্যাদি। আর এসব কাজগুলোই কিন্তু প্রমাণ করে, ভেতর থেকে উঠে আসা একদলা আবেগের কথা। ভেতর থেকে না এসে যদি এক তরফাভাবে কোন এজেন্সির অর্থায়নে হতো তাহলে কিন্তু জনতার ভেতরের বিভিন্ন স্তর থেকে আপনি এমন সাড়া পেতেন না। তার মানে এসব কিছুই কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে রইল।

অভি জানান, ডকুফিল্মটিতে বিভিন্ন চরিত্র রয়েছে। তবে প্রতিটি চরিত্রই সত্য। এভাবেই এর চরিত্রায়ন পরিচিতি দিচ্ছেন নির্মাতা। ডকুফিল্মটি শুরুতেই সর্তকীকরনে বলা হয়েছে, ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর আর কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র প্রাণ-প্রকৃতি-জীবনের জন্য ক্ষতিকর।

পুরো ভিডিওটির র্দৈঘ্য ৮ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের এই ভিডিওটি বাঙ্গাল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যানারে লাস্টবেঞ্চ প্রডাকশন টিমের প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে।

‘ডাক দিয়েছে সুন্দরবন’ ডকুফিল্মটি দেখুন:

 

 

রামপাল প্রকল্প: ১০টি প্রশ্ন ও বিভ্রান্তিকর উত্তর

cms.somewhereinblog.net

কল্লোল মোস্তফা।।

রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে আরশাদ মনসুরের তোলা ১০টি প্রশ্নের যে উত্তর প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান পাঠিয়েছে, তা ৬ আগস্ট প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে। প্রশ্ন-উত্তর পর্বে আলোচিত এই প্রযুক্তিগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হবে কি না, কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হলেই সুন্দরবনের ওপর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পূর্ণ দূর হবে কি না, কিংবা এই প্রযুক্তিগুলোর কোনো সীমাবদ্ধতা বা ক্ষতিকর প্রভাব আছে কি না—এসব বিষয়ে কিছু কথা বলা জরুরি মনে করছি। পুরো লেখা পড়ুন

সুন্দরবন রক্ষায় মৌলিক বাঙলা’র পদযাত্রায় পুলিশের বাধা

12998149_1013140918770121_4145503158867874578_o

পুলিশি হামলা ও বাধার মুখে সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে মৌলিক বাঙলা’র পদযাত্রা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রবিবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে দশটায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

কর্মসূচির আয়োজকরা জানান, সকাল সাড়ে এগারোটায় সমাবেশ শেষে পদযাত্রা শুরু করলে পুলিশ বিভিন্ন অজুহাতে সেখানেই তাদের আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশি বাধার মুখে নির্ধারিত রুট প্রেস ক্লাব, শাহবাগ, কাওরান বাজার এর রাস্তা ছেড়ে পদযাত্রা দোয়েল চত্ত্বরের দিকে এগিয়ে যায়। এরপরও জাতীয় শহীদ মিনারের দিকে যাওয়ার পথে দোয়েল চত্ত্বরে আরেক দফা বাধার মুখে পড়ে পদযাত্রা।

আয়োজকরা আরও জানান, এরপর সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে পথসভার করার সময় পুলিশ তাদের উদ্দেশে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এরপর মাইক ভাঙচুর, বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত পোস্টার পায়ের তলায় ফেলে পিষ্ঠ করে। এ সময় মৌলিক বাঙলার নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ‍ওঠলে পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালায়। পুরো লেখা পড়ুন

সুন্দরবন রক্ষার ‘জনযাত্রা’য় ছিলো না শুধু জনগণ

IMG_2457-1024x577

রিয়াজ মোর্শেদ

সুন্দরবন বাঁচাও লং মার্চে (জনযাত্রা) অংশগ্রহণ করলাম ১০-১৩ মার্চ, ২০১৬। আয়োজন করেছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ- বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। আমি গিয়েছি ব্যক্তিগত চেতনায়, অনেকটা দায়মুক্তির জন্যই। কারণ নিজেকে কী জবাব দিবো যখন দেখবো সুন্দরবন একটি বাগানে পরিণত হয়েছে? কিংবা কোনও একদিন কেবল ইতিহাসেই থাকবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের নাম!

পুরো লেখা পড়ুন

সুন্দরবন রক্ষায় ‘মাভৈঃ’র ‘বাদাবনের’ জারি

‘বাদাবন মায়ের আঁচল আভয়রে নিওনা কাড়িয়া নিরদয়/ উন্নয়নের ঝড়ে ওড়াও এমন সুন্দরবন / সুন্দর যতি না থাকে তবে না থাকুক দুনয়ন। বাদাবন মায়ের আঁচল অভয় রে নিওনা কাড়িয়া নিরদয়।’

এ এক অন্য রকম আকুতী, অন্য এক আক্ষেপ। সম্প্রতি মাভৈঃ গানের দল সুন্দরবন রক্ষায় সুতীব্র এক আকুতী জানিয়ে বেঁধেছে বাদাবনের জারি। গানের কথাগুলো শুনলে হৃদয়ে এক ব্যাথা অনুভূত হয়। গভীর এক ষড়যন্ত্রে কি তাহলে আমরা আমাদের সুন্দরবন ধংস করে ফেলছি!

পুরো লেখা পড়ুন

গো টু টপ