বিষয়ভিত্তিক আর্কাইভ

১৪ ফেব্রুয়ারি

হয়তো এভাবেও শুরু হয় : বিনম্র শ্রদ্ধা দীপালি কাঞ্চন জাফর জয়নাল

180085_1565967351027_1206778_n

মনোজ দে।।

সালটা ঠিক মনে নেই।  তবে ২০০৪ বা ৫। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ বিকেলবেলা। ডাকসুর নিচতলায় ক্যাফেটেরিয়ার পাশে প্রপদের ছোট্ট অফিসটাতে বসে সাজ্জাদ ভাই, সেঁজুতি-রাসেলসহ আমরা কয়েকজন গান-টান গাচ্ছি। রিক্সা থেকে নামলেন এহতেশাম ভাই। আকাশি রংয়ের লম্বা শার্টটার হাতা গুটানো।  হাতে ব্যাগ।  তিনধাপের সিঁড়ি বেয়ে উঠতে উঠতে ব্যাগ থেকে বের করছেন চারভাঁজের পৃষ্ঠায় গুটি গুটি অক্ষরে লেখা কাগজ। অফিসের গেটে দাঁড়ালেন। চিন্তাক্লিষ্ট মুখে আত্মবিশ্বাসের দারুণ দীপ্তি। বললেন তোমাদের সঙ্গে জরুরি আলাপ। চেয়ার টেনে বসলেন। আমরাও হরমোনিয়াম তবলা গুটিয়ে সিরিয়াস কোনো মিটিংয়ের মুখোমুখি হবার জন্য প্রস্তুতি নিলাম। পুরো লেখা পড়ুন

আমি কোনও ভালোবাসার গল্প জানি না…

19

স্বাধীনতা, গণতন্ত্র,ভালোবাসা-এ শব্দগুলোর অর্থ আকাশের মতো বিশাল। অথচ দিন দিন শব্দগুলো নিছক চারটি শব্দের মধ্যেই আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফেব্রুয়ারি মাস আমাদের জন্য; বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সংগ্রামের মাস। আমরা ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারিতে যেমন ভাষার দাবিতে প্রাণ দিয়েছি,তেমনি ১৯৮৩-র ১৪ ফেব্রুয়ারিতেও শিক্ষার দাবিতে দিয়েছি গরম তাজা রক্ত। গোলাপ বা কৃষ্ণচূড়ার রঙের মতোই রক্তলাল হয়ে গিয়েছিল রাজপথ। যে রক্তের স্রোতের ধারাবাহিকতাতেই ১৯৯০ এ সামরিক স্বৈরতন্ত্রের পতন হয়। সেই সংগ্রামের ইতিহাস আমরা কতজন জানি বা জানতে দেওয়া হয় আজকের তরুণ প্রজন্মকে?  সেই রক্তাক্ত ইতিহাস ও বতর্মান প্রেক্ষিত নিয়ে লিখেছেন শারমিন রহমান ও আরশাদ আলী।

পুরো লেখা পড়ুন

১৪ ফেব্রুয়ারি: ভ্যালেন্টাইন নাকি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস!

14-february

১৪ ফেব্রুয়ারি। সারা বিশ্বে দিনটির জন্য অপেক্ষা করে মূলত তরুণ-তরুণীরা। পালিত হয় ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’। পশ্চিমা দেশগুলোর অনুসরণে, কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশেও এই দিনটির জন্য উত্তেজনা প্রবল। ফুলের দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভিড়। প্রিয়জনদের জন্য উপহার সামগ্রী বিক্রির রমরমা ব্যবসা। মুদ্রণ ও প্রচার মাধ্যমগুলোতেও বিশেষ আয়োজন থাকে ভালোবাসা বিদস উপলক্ষে। রঙিন পাতায় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের প্রথম ভালোবাসার অভিজ্ঞতা, কেমন হবে দিনটির সকাল-সন্ধ্যা-অপরাহ্নের সাজ, রোমান্টিক কাহিনী নির্ভর নাটক কিংবা টেলিফিল্ম। পাল্লা দিয়ে মোবাইল অপারেটরগুলোর দারুন সব অফার, কনসার্টের নামে রাতভর হৈ-হল্লা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়োগ করা হয় পুলিশ ফোর্স। (কারণ আমাদের তরুণ-তরুণীরা তাৎক্ষণিক উত্তেজনায় নিয়ন্ত্রণহীন। পশ্চিমা সংস্কৃতি হলেও, দিনটি উদযাপনে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা তাদের চাইতে অনেক এগিয়ে)। ভালোবাসার বন্যায় প্লাবিত চারপাশ। সেই তোড়ে ভেসে গেছে আমাদের নিকট অতীতের মহত্তোর সংগ্রাম ও অর্জনের ইতিহাস। দিনটির গৌরবোজ্জ্বল ও রক্তাক্ত ইতিহাস এবং বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে লিখেছেন আহম্মেদ দ্বীপু ও শারমিন রহমান

পুরো লেখা পড়ুন

১৪ ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস অন্য কিছু নয়

168647_1557224012449_4077456_n

অনিন্দ্য মোস্তফা মাহবুব।।

১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস! বাংলাদেশের জন্যও তাই? বাংলাদেশে কি বিশ্বের বাইরের কোনো দেশ নাকি! ফলে মুদ্রণ ও সম্প্রচার মাধ্যমগুলোতে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে রঙিন সব বিশেষ খবর, প্রতিবেদন, বিজ্ঞাপন, অনুষ্ঠান। মোবাইল অপারেটরগুলোতে দারুন সব অফার, কনসার্টের তোড়জোড়। ফুলের দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় আর গিফটের দোকানগুলোতে রমরমা ব্যবসা। ভালোবাসার এমন বন্যায় প্লাবিত চারপাশ- এমন একটা আবহ তৈরি হয়েছে। এতসব উৎসবের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে আমাদের মহত্তর সংগ্রাম ও অর্জনের ইতিহাস।

ভাষা আন্দোলনের মাসে ১৪ ফেব্রুয়ারি টিভি চ্যানেলে প্রচার করা হচ্ছে ‘ভালোবাসা’ আর ‘ভাষা’ মিশিয়ে চমৎকার ন্যাকামি সমৃদ্ধ প্রতিবেদন এবং অনুষ্ঠান।

১৯৮৩ সালে স্বৈরাচারী এরশাদের শিক্ষামন্ত্রী মজিদ খানের বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা মহানগর ব্যাপী এক ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র সংগঠনগুলো ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে শুধু মহানগর ব্যাপী ১০ জন শহীদ হন ও শতাধিক আহত হন। পুরো লেখা পড়ুন

রক্তের অক্ষরে লেখা শহীদের নাম ভেসে গেছে ভ্যালেন্টাইনের জোয়ারে

168971_1557223332432_7488382_n

একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক ভূখণ্ডের জন্য এ জনপদের মানুষ বারবার অকাতরে প্রাণ দিয়েছে। যুগে যুগে সামরিক-বেসামরিক ছদ্মবেশে স্বৈরাচারীরা ক্ষমতা দখল করেছে। জনগণ প্রতিবাদ করলে জুটেছে বেয়নেট, বুট, গুলি, টিয়ারশেল। এরকমই ১৪ মার্চ ১৯৮২ সালে সামরিক আইন জারি করে ক্ষমতা দখল করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সামরিক আইন জারি করে সংবিধান ও মৌলিক অধিকার স্থগিত করা, রাজনৈতিক নেতাদের ধড়পাকড় শুরু করা_এসব বিভিন্ন কারণে তাঁর এ ক্ষমতা দখলকে কোনো রাজনৈতিক দল শক্তভাবে প্রতিরোধ করতে পারেনি। তবে ছাত্ররা প্রথম থেকেই এরশাদের শাসনক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করে বসেন। শুরু হয় প্রতিরোধ আন্দোলন। স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্রদের প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রথম শহীদের নাম জয়নাল দিপালী কাঞ্চন। এরপর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন জোরদার হয়ে ওঠে। পশ্চিম থেকে আগত ভ্যালেন্টাইনের জোয়ারে ভেসে গেছে রক্তের অক্ষরে লেখা, এ প্রজন্ম ভুলে যাচ্ছে সেই সব শহীদের নাম। ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারির সেই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই রচনাটি লিখেছেন মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান তুহিন ও আজিজ হাসান

পুরো লেখা পড়ুন

গো টু টপ